প্রার্থী বদলের দাবিতে ফের বিক্ষোভ বিজেপির মালদা জেলা কার্যালয়
দি নিউজ লায়ন; প্রার্থী বদলের দাবিতে ফের বিক্ষোভ বিজেপির মালদা জেলা কার্যালয় । বৃহস্পতিবার দুপুরে দলের জেলার শীর্ষ নেতৃত্বেরদের একাংশকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বৈষ্ণবনগর বিধানসভা কেন্দ্রের শতাধিক দলীয় কর্মী, সমর্থকেরা। বিক্ষোভের জেরে পার্টি অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান দলের জেলার উপস্থিত একাংশ নেতৃত্ব। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা ধরে বিজেপির জেলা কার্যালয় প্রার্থী বদলের দাবিতে বিক্ষোভ চলতে থাকে। অন্যদিকে শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীকে ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করা নিয়ে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে দলের একাংশ নেতাকর্মীদের মধ্যে।
ইতিমধ্যে ইংরেজবাজার কেন্দ্রে এই প্রার্থীকে যাতে অবিলম্বে সরিয়ে দেওয়া হয় সে ব্যাপারেও দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে লিখিত চিঠি পাঠিয়েছেন মালদার ইংরেজবাজার কেন্দ্রের কয়েকটি মণ্ডল কমিটির সভাপতিরা। বিজেপির প্রার্থী বদল নিয়ে আবারও দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এলো মালদায়। আর এই বিক্ষোভের জেরে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে দল। বিজেপির জেলার সহ-সভাপতি তাপস গুপ্ত বলেন,।
কিছু মানুষ এদিন পার্টি অফিসে এসে ক্ষোভ-বিক্ষোভের কথা বলেছেন। মান-অভিমান থাকতেই পারে। আমরা ওদেরকে সমস্ত রকম বিষয় নিয়ে কথা বলে বুঝিয়েছি। পরে অবশ্য যারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তারা শান্ত হোন এবং বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। উল্লেখ্য, বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই মালদার একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে চলছে চরম গোলমাল। দলেরই একটি বড় অংশ বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী বদলের দাবি নিয়ে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন। কোথাও রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা।
আবার কখনো জেলা বিজেপির জেলা কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দলের কর্মী সমর্থকেরা । বৃহস্পতিবার বিকেলে বৈষ্ণবনগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী স্বাধীন সরকারকে বদল করতে হবে এমনই দাবি নিয়ে দলের জেলা কার্যালয় পুরাটুলি বাঁধরোড এলাকায় এসে বিক্ষোভ দেখান শতাধিক কর্মী , সমর্থকেরা। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে দলীয়, কর্মী সমর্থকদের অবস্থান-বিক্ষোভ । আর এই বিক্ষোভের জেরে চরম অস্বস্তিতে পড়ে যায় জেলা কার্যালয়ে উপস্থিত শীর্ষ নেতৃত্বদের একাংশ ।
এদিন ইংরেজবাজারের কয়েকটি মণ্ডল কমিটির অভিযোগকারীরা বলেন, ইংরেজবাজারের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী গত লোকসভা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। নির্বাচনে পরাজিত হবার পর থেকে তারা দেখা পাওয়া যায় নি। দুই বছর পর উনি আবার মালদা এসেছেন। বিধানসভার টিকিট নিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। উনার কোনো ভূমিকা নেই। ইংরেজবাজারে অনেক ভালো নেতা-নেত্রীরা রয়েছেন। যারা প্রথম থেকেই দলের জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। তাদের বাদ দিয়ে বহিরাগত একজনকে কেন এভাবে প্রার্থী হিসাবে বেছে নেওয়া হল সে ব্যাপারে আমরা দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে চিঠি দিয়েছি । অনুরোধ করেছি ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের যেন নতুন করে প্রার্থী দেওয়া হয়।

Post a Comment